e77 শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা বাংলাদেশের লক্ষো মানুষের বিনোদন, উত্তেজনা ও সুযোগের সাথী। কীভাবে শুরু হয়েছিল, কোথায় এসে দাঁড়িয়েছি, এবং কেন আমাদের উপর আস্থা রাখা যায় — সব কিছু এখানেই পাবেন।
বিশ্বস্ততা
নিরাপত্তা
দ্রুত পেমেন্ট
সাপোর্ট
e77 কেন তৈরি হয়েছে এবং আমরা কোথায় যেতে চাই
বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দময় অনলাইন বেটিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া। e77 চায় প্রতিটি খেলোয়াড় যেন নিশ্চিন্তে উপভোগ করতে পারেন — জিতলেও, না জিতলেও।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে ব্যবহারকারী-বান্ধব ও বিশ্বাসযোগ্য বেটিং ও ক্যাসিনো প্ল্যাটফর্ম হওয়া। প্রযুক্তি, স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে e77 শিল্পের মানদণ্ড নির্ধারণ করতে চায়।
সৎ অডস, দ্রুত পেমেন্ট এবং সর্বদা সহায়ক সাপোর্ট — এই তিনটি প্রতিশ্রুতি e77 কখনো ভাঙেনি। আমাদের প্রতিটি সিদ্ধান্তের কেন্দ্রে থাকে ব্যবহারকারীর স্বার্থ।
আমাদের পার্থক্য তৈরি করে এমন ছয়টি বিষয়
bKash, Nagad ও Rocket-এ সাধারণত ৩ মিনিটের মধ্যে পেমেন্ট প্রক্রিয়া হয়। রাত হোক বা দিন — উইথড্র সবসময় চালু থাকে। এই গতি e77-কে আলাদা করে তোলে।
SSL এনক্রিপশন, দুই-স্তরীয় প্রমাণীকরণ এবং উন্নত ফায়ারওয়াল দিয়ে প্রতিটি অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত। ব্যক্তিগত তথ্য ও লেনদেন সর্বদা নিরাপদ থাকে।
বাংলাদেশ দলের প্রতিটি ম্যাচ, IPL, BPL, টেস্ট, T20I ও ODI — সব ফরম্যাটে বিস্তারিত মার্কেট। ইন-প্লে বেটিং থেকে প্রপজিশন বেট পর্যন্ত সব আছে।
Pragmatic Play, JILI, Evolution Gaming সহ শীর্ষ প্রদানকারীদের ১,০০০-এরও বেশি গেম। স্লট, লাইভ ক্যাসিনো, ফিশিং গেম — সব ধরনের পছন্দ মেটানো যায়।
প্ল্যাটফর্মের ইন্টারফেস থেকে গ্রাহক সেবা — সব কিছু বাংলায়। বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি, তাদের কথা মাথায় রেখে পরিচালিত।
স্বাগত বোনাস, সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, ফ্রি স্পিন এবং VIP প্রোগ্রাম — e77-এ নতুন ও পুরনো উভয় সদস্যের জন্যই প্রতি সপ্তাহে নতুন অফার আসে।
e77-এর জন্ম হয়েছিল একটা সহজ প্রশ্ন থেকে: বাংলাদেশের মানুষ কেন নিরাপদ ও স্বচ্ছ অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম পাবেন না? সেই সময়ে বাজারে যা ছিল তার বেশিরভাগই ছিল বিদেশি, বাংলায় সেবা নেই, পেমেন্টে ঝামেলা, সাপোর্টে সাড়া নেই।
একটা ছোট দল মিলে e77 তৈরি শুরু করে। লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট — বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য, বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমে চলবে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে উইথড্রয়ে কখনো সমস্যা হবে না।
"আমরা চেয়েছিলাম এমন একটা জায়গা যেখানে ঢাকার একজন রিকশাচালক থেকে শুরু করে সিলেটের একজন ব্যবসায়ী — সবাই সমান সুবিধায় খেলতে পারবেন।"
সেই লক্ষ্য থেকে e77 আজ পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্যের প্ল্যাটফর্ম। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় মানুষ e77 ব্যবহার করছেন। প্রতিদিন হাজারো লেনদেন সম্পন্ন হয় কোনো ঝামেলা ছাড়াই।
বাংলাদেশের জন্য তৈরি
bKash, Nagad, Rocket — বাংলাদেশের জনপ্রিয় সব মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতি সাপোর্ট করে e77।
মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন
বাংলাদেশে ৯০%+ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে আছেন। তাই e77 প্রথম থেকেই মোবাইল অভিজ্ঞতাকে প্রাধান্য দিয়েছে।
রাত-দিন সমান সেবা
রাত ৩টায় জিতলেও সঙ্গে সঙ্গে উইথড্র করা যাবে। e77-এর কোনো "অফিস আওয়ার" নেই।
শেখার সুযোগ
ডেমো মোড, কেস স্টাডি ও গাইড — নতুনরা যেন সহজে বুঝতে পারেন সেজন্য e77 সবসময় প্রস্তুত।
e77-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে যে নীতিগুলো কাজ করে
একটি প্ল্যাটফর্মকে বিশ্বাসযোগ্য করতে গেলে শুধু ভালো প্রযুক্তি যথেষ্ট নয়। দরকার হয় সঠিক মূল্যবোধ। e77-এ যারা কাজ করেন তারা প্রতিদিন এই নীতিগুলো মাথায় রেখে কাজ করেন।
e77-এর অডস কীভাবে নির্ধারিত হয়, বোনাসের শর্ত কী, পেমেন্ট কতক্ষণে হয় — সব কিছু স্পষ্টভাবে জানানো হয়। কোনো লুকানো চার্জ বা ছোট হরফে লেখা ফাঁদ নেই।
ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যাংকিং তথ্য ও লেনদেনের ইতিহাস সর্বোচ্চ মানের এনক্রিপশন দিয়ে সুরক্ষিত রাখা হয়। e77 কখনো তৃতীয় পক্ষের কাছে ব্যবহারকারীর তথ্য বিক্রি করে না।
গেমিং যেন আনন্দের থাকে, চাপের না হয় — সেজন্য e77-এ সেলফ-এক্সক্লুশন, ডিপোজিট সীমা ও কুলডাউন টুল আছে। আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীল গেমিং একটি সুস্থ সমাজ গড়তে সাহায্য করে।
ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া থেকে শিখে e77 নিজেকে প্রতিনিয়ত উন্নত করে। নতুন ফিচার, আরও দ্রুত পেমেন্ট, আরও ভালো সাপোর্ট — এই পথচলা কখনো থামে না।
ঢাকার শহরতলি হোক বা বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকা — e77-এর পরিষেবা সবার কাছে একই মানের। ব্যবহারকারীর ভৌগোলিক অবস্থান বা আর্থিক অবস্থান নির্বিশেষে সমান সুবিধা।
আমাদের প্রতিটি সেবার ভিত্তি এই চারটি নীতি
লাইসেন্সপ্রাপ্ত ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে পরিচালিত। প্রতিটি গেমের ফলাফল RNG (Random Number Generator) দ্বারা নিরপেক্ষভাবে নির্ধারিত।
বিশ্বমানের সার্ভার অবকাঠামো, ৯৯.৯% আপটাইম গ্যারান্টি এবং মোবাইল-অপ্টিমাইজড ইন্টারফেস। ধীর ইন্টারনেটেও e77 মসৃণভাবে চলে।
e77-এর ব্যবহারকারীরা শুধু গ্রাহক নন — তারা আমাদের সম্প্রদায়ের অংশ। তাদের মতামত পণ্যের উন্নয়নে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
শুধু ব্যবসা নয়, সমাজের প্রতি দায়িত্বও আছে। দায়িত্বশীল গেমিং টুল, বয়স যাচাই এবং প্রতারণা প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়।
বছর কয়েক আগেও বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানেই ছিল অনেক ঝামেলা। পেমেন্ট করতে গেলে বিদেশি কার্ড লাগত, ভাষার বাধা ছিল, জিতলে টাকা পেতে সপ্তাহের পর সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হতো। e77 এই পরিস্থিতি বদলে দিতে এসেছিল এবং সেটা করতে পেরেছেও।
আজ e77-এ বাংলাদেশি যেকোনো মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে মিনিটের মধ্যে ডিপোজিট করা যায়। একই সুবিধায় উইথড্রও হয়। সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে এবং সমস্যার দ্রুত সমাধান দেয়। এই সহজতাটুকু মানুষের কাছে অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করেছে।
বাংলাদেশে ক্রিকেটের মতো আর কোনো খেলা মানুষকে এভাবে একত্রিত করে না। বাংলাদেশ দলের একটি বড় ম্যাচের দিন পুরো দেশ একরকম থামে। e77 এই আবেগকে সম্মান করে এবং ক্রিকেট বেটিংকে প্ল্যাটফর্মের কেন্দ্রে রেখেছে।
শুধু ম্যাচ উইনার মার্কেট নয় — e77-এ ক্রিকেটের জন্য শত শত বেটিং মার্কেট আছে। কোন ব্যাটার সর্বোচ্চ রান করবেন, কোন ওভারে উইকেট পড়বে, কতটি বাউন্ডারি হবে — এই বিস্তারিত মার্কেটগুলো ক্রিকেট জ্ঞানীদের জন্য বিশেষভাবে সুবিধাজনক। কারণ যত বেশি খেলা জানবেন, তত ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।
e77-এ যোগ দেওয়া বেশিরভাগ মানুষ পরে জানান যে পেমেন্টের গতিটাই তাদের প্রথমে অবাক করেছে। বিশেষ করে যারা আগে অন্য প্ল্যাটফর্মে ছিলেন তারা পার্থক্যটা সহজেই বুঝতে পারেন।
e77-এ সর্বনিম্ন উইথড্র পরিমাণ ৳২০০ এবং গড় প্রক্রিয়াকরণ সময় তিন মিনিটেরও কম। কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো অপেক্ষার তালিকা নেই। রাত বা দিন — উইথড্র সবসময় সমান গতিতে হয়।
e77 বিশ্বাস করে গেমিং একটি বিনোদন, জীবিকার উৎস নয়। এই দর্শন থেকেই আমরা দায়িত্বশীল গেমিং ফিচারগুলো তৈরি করেছি। ব্যবহারকারীরা চাইলে নিজেরাই দৈনিক ডিপোজিট সীমা নির্ধারণ করতে পারেন, সাময়িক বিরতি নিতে পারেন বা সম্পূর্ণ সেলফ-এক্সক্লুশনে যেতে পারেন।
e77-এর দায়িত্বশীল খেলা পেজে এই সব টুলের বিস্তারিত তথ্য আছে। আমরা মনে করি একজন সুখী, স্বাস্থ্যকর খেলোয়াড় দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে ভালো ব্যবহারকারী। তাই তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করাটা আমাদের ব্যবসায়িক স্বার্থের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
e77 এখন যেখানে আছে সেটা একটা শুরু মাত্র। আগামী মাসগুলোতে আরও নতুন গেম, আরও দ্রুত পেমেন্ট এবং আরও স্থানীয় কন্টেন্ট আসছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন উৎসব ও খেলার মৌসুমে বিশেষ অফার আরও সমৃদ্ধ হবে। মোবাইল অ্যাপও আরও উন্নত করা হচ্ছে যাতে দেশের যেকোনো প্রান্তে যেকোনো পরিস্থিতিতে e77 ব্যবহার করা সহজ হয়।
আমাদের দলে আছেন অভিজ্ঞ প্রযুক্তিবিদ, গেমিং বিশেষজ্ঞ ও গ্রাহক সেবা পেশাদার যারা প্রতিদিন কাজ করছেন একটাই লক্ষ্যে — আপনার অভিজ্ঞতা আরও ভালো করতে। e77 আপনার সাথে আছে, আপনার পাশে থাকবে।
বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং ও পেমেন্ট অপশন
সর্বনিম্ন ডিপোজিট ৳১০০। উইথড্র সাধারণত ৩–১৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।
আমাদের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তার ভিত্তিগুলো
e77 আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং নিয়মিত তৃতীয় পক্ষের অডিটে উত্তীর্ণ।
সর্বোচ্চ মানের ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন ব্যবহার করে সব লেনদেন ও ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখা হয়।
সব গেমের ফলাফল স্বাধীন Random Number Generator দ্বারা নির্ধারিত — কোনো ম্যানিপুলেশনের সুযোগ নেই।
GamCare ও BeGambleAware স্বীকৃত দায়িত্বশীল গেমিং নীতি অনুসরণ করে e77। সমস্যাজনক গেমিং প্রতিরোধে সক্রিয়।
শুরু থেকে আজ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলকগুলো
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে e77-এর যাত্রা শুরু হয়। প্রথম দিন থেকেই bKash সাপোর্ট নিশ্চিত করা হয়।
মাত্র প্রথম বছরেই e77-এ ১ লক্ষের বেশি নিবন্ধন সম্পন্ন হয়। ক্রিকেট বেটিং ও Fortune Tiger গেম সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
Evolution Gaming-এর লাইভ ক্যাসিনো সেকশন চালু হয় এবং Android অ্যাপ প্রকাশিত হয়। দেশের ৬৪ জেলায় ব্যবহারকারী ছড়িয়ে পড়ে।
Bronze থেকে Platinum পর্যন্ত চার স্তরের VIP প্রোগ্রাম চালু হয়। নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ সুবিধা ও ডেডিকেটেড সাপোর্ট নিশ্চিত করা হয়।
আজ e77-এ পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য। প্রতিদিন নতুন ফিচার যোগ হচ্ছে এবং বাংলাদেশের বেটিং শিল্পে e77 একটি বিশ্বস্ত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
e77 সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞেস করা প্রশ্নগুলো
পাঁচ লক্ষের বেশি মানুষের বিশ্বাসের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিন — নিবন্ধন বিনামূল্যে, বোনাস পাওয়া যায় সঙ্গে সঙ্গে।